1. kaium.hrd@gmail.com : ময়মনসিংহের কাগজ প্রতিবেদক :
  2. my.mensingherkagoj@gmail.com : Editor :
June 5, 2026, 5:49 pm
শিরোনাম
ফিফা বিশ্বকাপের ম্যাচ দেখাবে বাংলাদেশের তিন টিভি চ্যানেল জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় নবায়নযোগ্য জ্বালানিকে বাজেটে অগ্রাধিকার দেওয়ার দাবি কৃষিপণ্য ও মৎস্যের ফসলোত্তর অপচয় হ্রাসে হাইব্রিড ড্রায়িং সিস্টেম কার্যকর ভূমিকা রাখবে—বাকৃবি ভিসি ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ ছাত্রাবাসে দু’পক্ষের সংঘর্ষের ঘটনায় ১২ শিক্ষার্থীর নামে মামলা, ছাত্রদল থেকে দুজনকে অব্যাহতি জ্বালানি সংকট মোকাবেলায় নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে বিনিয়োগ বাড়ানোর দাবি পরিবেশবাদী সংগঠনগুলোর জুনিয়র অনুসারী দিয়ে মোটর সাইকেলের তেল আনাকে কেন্দ্র করে মমেক ছাত্রাবাসে দু’গ্রুপের সংঘর্ষের ঘটনায় সকল ক্লাস-পরীক্ষা সাত দিনের জন্য স্থগিত,শিক্ষার্থীদের হল ত্যাগের নির্দেশ উচ্ছ্বাস ও ঐতিহ্যে ময়মনসিংহে ১৪৩৩-এর বর্ষবরণ: শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীন পার্কে উৎসবের জোয়ার ময়মনসিংহে হত্যা মামলায় পাচ জনের যাবজ্জীবন ময়মনসিংহ ব্যুরো ময়মনসিংহে হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে হাম আক্রান্তে ২ শিশুর মৃত্যু, চিকিৎসাধীন ৭৩

রঙিন মাছ চাষে সফলতা ত্রিশালের মিনু

Reporter Name
  • Update Time : শনিবার, জুলাই ২৯, ২০২৩,
  • 622 Time View

কাগজ প্রতিবেদক, ত্রিশাল :

১৭ বছর আগে ৬টি বিদেশি রঙিন মাছ চাষের মাধ্যমে যাত্রা শুরু করেছিলেন ত্রিশালের সাইফুল ইসলাম মিনু। এরপর ৬টি পুকুর থেকে ১৫ বছরে বাণিজ্যিকভাবে দেশে বিদেশে মাছ বিক্রি করে এখন তিনি সফল উদ্যোক্তায় পরিণত হয়েছেন। ঢাকা সিটি কলেজ থেকে বি.কম পাস করা মিনু এখন রঙিন মাছ চাষে অন্য খামীদের অনুকরণীয়।
সরজমিনে দেখা গেছে, ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলা বালিপাড়া ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী ধলার লক্ষণপুর গ্রামের খামারি সাইফুল ইসলাম মিনু বাহারি রঙের বিদেশি মাছ চাষ করে সফল হয়েছেন। তার আল-আমিন এসোরটেড হ্যাচারি অ্যান্ড ফিশারিজ নামের রঙিন মাছের খামার রয়েছে। এছাড়াও খামারে ছোট-বড় বিভিন্ন প্রজাতির মাছের পুকুর ও চৌবাচ্চা রয়েছে। এর পাশাপাশি বিদেশি জাতের কুকুর, বিড়াল, পাখিসহ খামারে নানা প্রজাতির বিদেশি ফল শাকসবজির সমাহার রয়েছে। এলাকায় বিদেশি রঙিন মাছ চাষি হিসেবে মিনু সবার কাছে পরিচিত।
সাইফুল ইসলাম মিনু বলেন, আমার বেড়ে উঠা ঢাকার পাশের জেলা মানিকগঞ্জে। সেখানেই ব্যবসা বাণিজ্য। হঠাৎ গ্রাম্য পরিবেশে বসবাস করার ইচ্ছা জাগে। তাই নব্বইয়ের দশকে এ অঞ্চলের রেণু পোনার ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পরিচয় হয়। ১৭ বছর আগে প্রথমে জায়গা ভাড়া নিয়ে ও পরে জমি কিনে বাণিজ্যিকভাবে রঙিন মাছের চাষ শুরু করি। ২০০৭ সালে অ্যাকুয়ারিয়ামের মাধ্যমে মাছ চাষ শুরু। ওই সময় ক্রেতা কম থাকলেও ভালো দাম পাওয়া যেত। তারপর জাপান থেকে ছয়টি কই কার্প মাছের পোনা সংগ্রহ করে রেণু উৎপাদনের মাধ্যমে পোনার সংখ্যা বৃদ্ধি করা হয়। পরে থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়া ও চীন থেকে প্রায় ২৪ প্রজাতির মাছ এনে ব্যবসা আরও প্রসারিত করেছি।
তিনি বলেন, আমি ৩০ বিঘা জমিতে ২৫টি পুকুরে বিভিন্ন প্রজাতির মাছ চাষ করেছি। এখান থেকে দেশ-বিদেশের ব্যবসায়ীরা অনলাইনে যোগাযোগ করে রঙিন মাছ কিনে নেন। এখন এ এলাকার অনেকেই রঙিন মাছ চাষ করে বাণিজ্যিকভাবে বিক্রি করছেন।##

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© All rights reserved © 2024