মাজহারুল ইসলাম, হালুয়াঘাট-ধোবাউড়া ময়মনসিংহ-১ (হালুয়াঘাট-ধোবাউড়া) আসনের সাধারণ মানুষের মুখে এখন একটিই নাম—সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স। স্থানীয়দের মতে, অবহেলিত এই সীমান্ত জনপদের টেকসই উন্নয়ন, শিক্ষা ও সামাজিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে বিএনপির এই যুগ্ম মহাসচিবের কোনো বিকল্প নেই।
জনগণের আস্থার প্রতীক
দীর্ঘদিন ধরে এলাকার মানুষের সুখ-দুঃখে পাশে থাকায় এমরান সালেহ প্রিন্স নিজেকে সাধারণ মানুষের আস্থার প্রতীকে পরিণত করেছেন। বিশেষ করে সাম্প্রতিক ভয়াবহ বন্যায় ত্রাণ তৎপরতা থেকে শুরু করে প্রান্তিক কৃষকদের অধিকার আদায়ে তার সোচ্চার ভূমিকা সর্বমহলে প্রশংসিত হয়েছে। এলাকাবাসীর দাবি, তিনি কেবল একজন রাজনীতিবিদ নন, বরং এলাকার প্রতিটি মানুষের অভিভাবক।
উন্নয়নের রূপরেখা
হালুয়াঘাট ও ধোবাউড়ার উন্নয়নে প্রিন্সের রয়েছে সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা। স্থানীয় নেতা-কর্মীরা জানান:
অবকাঠামো উন্নয়ন: ভাঙাচোরা রাস্তাঘাট সংস্কার এবং উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে তিনি নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন।
কৃষি ও সেচ ব্যবস্থা: পাহাড়ি ঢল ও সেচ সংকটে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের সহায়তায় রাবার ড্যাম ও আধুনিক সেচ প্রকল্পের স্বপ্নদ্রষ্টা হিসেবে তাকে দেখেন স্থানীয়রা।
শিক্ষা ও স্বাস্থ্য: অবহেলিত ধোবাউড়া ও হালুয়াঘাটে মানসম্মত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং আধুনিক চিকিৎসা সেবা পৌঁছে দিতে তার উদ্যোগী ভূমিকা ইতিমধ্যে দৃশ্যমান।
রাজনৈতিক নেতৃত্ব ও সামাজিক সংস্কার
সম্প্রতি এক জনসভায় প্রিন্স বলেছিলেন, “রাজনৈতিক নেতা-কর্মীরাই আসল সমাজকর্মী ও সংস্কারক।” তার এই দর্শন স্থানীয় যুবসমাজকে অনুপ্রাণিত করেছে। তৃণমূলের কর্মীরা মনে করেন, দলে এবং এলাকায় তার যে পরিচ্ছন্ন ইমেজ, তা আসন্ন নির্বাচনে “ধানের শীষ” প্রতীকের বিজয় নিশ্চিত করার পাশাপাশি এলাকার চেহারাই বদলে দেবে।
স্থানীয়দের কণ্ঠস্বর
হালুয়াঘাটের একজন সাধারণ ভোটার বলেন, “আমরা এমন নেতা চাই যাকে বিপদে পাশে পাওয়া যায়। প্রিন্স ভাই ঢাকা থেকে এসে আমাদের কাদা-মাটিতে মিশে কাজ করেন। এই এলাকার উন্নয়ন চাইলে তার কোনো বিকল্প দেখি না।”
পর্যবেক্ষকরা বলছেন, ময়মনসিংহ-১ আসনে সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্সের ব্যক্তিগত জনপ্রিয়তা ও রাজনৈতিক দক্ষতা তাকে অন্য প্রার্থীদের তুলনায় অনেক এগিয়ে রেখেছে। ধোবাউড়া ও হালুয়াঘাটকে একটি আধুনিক ও বৈষম্যহীন মডেল উপজেলা হিসেবে গড়তে তার সুযোগ্য নেতৃত্ব এখন সময়ের দাবি।