কাগজ প্রতিবেদক,
ময়মনসিংহ জেলা পরিষদের প্রশাসক হিসেবে জননেতা এমরান সালেহ প্রিন্সকে নিয়োগ দেওয়ায় আনন্দিত ময়মনসিংহের সর্বস্তরের মানুষ। বিশেষ করে হালুয়াঘাট ও ধোবাউড়া উপজেলার সাধারণ মানুষ ও তৃণমূলের নেতা-কর্মীরা এই সিদ্ধান্তকে ‘যোগ্য নেতার সঠিক মূল্যায়ন’ হিসেবে দেখছেন।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান অত্যন্ত দূরদর্শী ও বিচক্ষণতার পরিচয় দিয়ে এমরান সালেহ প্রিন্সকে এই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব অর্পণ করেছেন। দীর্ঘদিন ধরে হালুয়াঘাট ও ধোবাউড়া অঞ্চলের মানুষের দুঃখ-সুখের সাথী হিসেবে নিজেকে বিলিয়ে দিয়েছেন এমরান সালেহ প্রিন্স। ওই অঞ্চলের রাস্তাঘাট, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও অবকাঠামোগত উন্নয়নে তার অবদান অনস্বীকার্য। এলাকাবাসী তাকে ‘উন্নয়নের রূপকার’ হিসেবে মনে করলেও বিভিন্ন সময় স্থানীয় রাজনৈতিক মারপ্যাঁচে তিনি কাঙ্ক্ষিত মূল্যায়ন পাননি বলে অনেক সাধারণ মানুষের আক্ষেপ ছিল।
তবে তৃণমূলের সেই জনপ্রিয়তাকে গুরুত্ব দিয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তাকে ময়মনসিংহ জেলা পরিষদের প্রশাসক হিসেবে সম্মানিত করেছেন। এই নিয়োগের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী প্রমাণ করেছেন যে, যারা মাটি ও মানুষের রাজনীতি করেন, তারা কখনোই অবহেলিত থাকেন না।
এ প্রসঙ্গে হালুয়াঘাটের স্থানীয় একজন বাসিন্দা বলেন, “আমরা চেয়েছিলাম আমাদের প্রিয় নেতা এমন একটি প্ল্যাটফর্ম পান যেখান থেকে তিনি বৃহত্তর ময়মনসিংহের সেবা করতে পারেন। প্রধানমন্ত্রী আজ আমাদের সেই চাওয়া পূরণ করেছেন।” ধোবাউড়া উপজেলার নেতা-কর্মীরাও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়ে আনন্দ মিছিল বের করেছেন।
নবনিযুক্ত প্রশাসক এমরান সালেহ প্রিন্স তার প্রতিক্রিয়ায় জানান, তিনি এই আস্থার মর্যাদা রাখবেন এবং ময়মনসিংহ জেলা পরিষদের মাধ্যমে জেলার প্রতিটি উপজেলায় সুষম উন্নয়ন নিশ্চিত করবেন। বিশেষ করে অবহেলিত ও প্রান্তিক জনপদের জীবনমান উন্নয়নে তিনি অগ্রাধিকার ভিত্তিতে কাজ করবেন বলে প্রতিশ্রুতি দেন।